Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 

          সমবায়ের ভিত্তি হচ্ছে গণতন্ত্র, সাম্য ও সংহতি এবং এর লক্ষ্য হচ্ছে স্বাবলম্বিতা ও স্বনির্ভরতা। মূলত: কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে সমর্থন করার জন্য এদেশে সমবায়ের সূচনা হলেও বর্তমানে অর্থনীতির প্রায় সকল ক্ষেত্রে সমবায় তার কার্যক্রমকে বিসত্মৃত করেছে ।

            সরকারী কর্মসূচী এবং জনস্বার্থের সাথে সংগতি রেখে সমবায় সমিতি গঠন, নির্বাচন, মূলধন সৃষ্টি, বৃত্তিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরন এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অনুপ্রেরনা সৃষ্টির মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তর দায়িত্ব পালন করে আসছে । উপজেলা সমবায় কার্যালয়, জেলা সমবায় কার্যালয়, বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়, আঞ্চলিক সমবায় শিক্ষায়তন (৯টি), বাংলাদেশ সমবায় একাডেমী (কুমিলস্না) এবং সমবায় অধিদপ্তরে প্রায় ৪৮৫৪ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী জাতীয়, কেন্দ্রীয় এবং প্রাথমিক সমবায় সমিতির সদস্যগণকে আইনগত সহায়তাসহ মানব সম্পদ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে আসছে ।

আমাদের প্রত্যাশা :

            গণতন্ত্রমনা দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক নারীপুরম্নষ নির্বিশেষে সুশিক্ষিত ও সুদক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে সমবায় আন্দোলনকে বেগবান করা ।

আমাদের লক্ষ্য :

            ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে স্বীয় চেষ্টায় উন্নয়নে প্রত্যয়ী জনগোষ্ঠীকে সমবায়ের মাধ্যমে সংগঠিত করে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পূঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে স্বকর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীল করে দারিদ্র দূরীকরণ। শিক্ষা ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতামূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ।

আমাদের দায়িত্ব :

⇒ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে গণতন্ত্রমনা জনগণকে সমবায় আদর্শে উদ্বুদ্ধ করা এবং তাঁদের সমন্বয়ে সমবায় সমিতি গঠন, নিবন্ধন, তত্ত্বাবধায়ন ও আইনগতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা ।

⇒নিবন্ধিত সমবায় সমিতির নিরীক্ষা, পরিদর্শন ও তদমত্ম করা । সমবায় সমিতির বিভিনড়ব অনিয়মের

জন্য দোষী সদস্যদের দন্ড প্রদান করা।

⇒সমবায় সমিতির বিভিন্ন ধরণের বিরোধ ও আপীল নিষ্পত্তি ও অকার্যকর সমিতির নিবন্ধন বাতিল করা ।

⇒সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সৃজনশীল ও পেশাগতভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা ।

⇒সমবায় নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দকে সমবায় সম্পর্কিত জ্ঞান, দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সমবায় ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ, আত্ম কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন সংক্রামত্ম প্রশিক্ষন প্রদান ।

⇒সমবায় আন্দোলনকে জোরদার করার লক্ষ্যে সমবায়ের প্রচার,প্রকাশনা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার আয়োজন করা ।

⇒সমবায় সমিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সমবায় সমিতির উপর জরিপ, গবেষণা ও কেস ষ্টাডি পরিচালনা করা এবং এর উপর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ সরকারের অনুমোদনক্রমে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসত্মবায়ন করা ।

⇒সরকার কর্তৃক বাসত্মবায়িত আশ্রয়ণ/আবাসন, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গৃহীত কর্মসূচীর আওতায় সংগঠিত সমবায় সমিতি নিবন্ধন, তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ ।

⇒বৃক্ষরোপন, পরিবার পরিকল্পনা, গণশিক্ষা জন স্বাস্থ্যরক্ষা ইত্যাদি সরকারী বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচী বাসত্মবায়ণে সহযোগিতা করা ।

⇒সমবায় সংশিস্নষ্ট সকল প্রকার উন্নয়ন প্রকল্প বাসত্মবায়ন, ঋণ বিতরণ ও আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করা ।

আমাদের সেবাসমূহ:

১। আইনগত সেবা :

সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত ২০০২) ও সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ মোতাবেক আইনগত সেবাসমূহ :

(ক) নিবন্ধন ও উপ-আইন সংশোধন :

⇒উপ আইন নিবন্ধনের মাধ্যমে ১টি সমবায় সমিতি আইনগত ভিত্তি লাভ করে । সমিতির সাধারন সদস্যদের সিদ্ধামেত্মর আলোকে উপ আইন পরিবর্তন করা যায় ।

⇒উপজেলা সমবায় অফিসার কর্তৃক বাংলাদেশ পলস্নী উন্নয়ন বোর্ড সমর্থনপুষ্ট প্রাথমিক সমবায় সমিতির নিবন্ধন করা হয় ।

⇒বি আর ডি বি সমর্থনপুষ্ট প্রাথমিক সমবায় সমিতি ছাড়া অন্যান্য সকল প্রকার সমবায় সমিতির নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ হলেন জেলা সমবায় অফিসার ।

⇒বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধক কর্তৃক সকল প্রকার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নিবন্ধন করা হয়।

⇒নিবন্ধক কর্তৃক সকল জাতীয় সমবায় সমিতির নিবন্ধন করা হয় ।

⇒সমবায় সমিতি নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধন ফি প্রদান করতে হয় । এক্ষেত্রে সর্বনিমণ নিবন্ধন ফি ৫০/- টাকা এবং সর্বোচ্চ নিবন্ধন ফি ৫,০০০/- টাকা । নিবন্ধন ফি সরকারী রাজস্ব ।

(খ) ব্যবস্থাপনা, অডিট, পরিদর্শন ও অবসায়ন :

⇒সমিতির ব্যবস্থাপনা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিটি কর্তৃক পরিচালিত হয় । নির্বাচিত কমিটি না থাকলে নিবন্ধক কর্তৃক আইনের আওতায় অমত্মর্বতী কমিটি নিয়োগ করা হয় । এ কমিটি সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করেন।

⇒নিবন্ধক কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মচারী বা ব্যক্তি দ্বারা সমিতির ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক কার্যক্রমের উপর বাৎসরিক নিরীক্ষা সম্পাদন করা হয় ।

⇒সমিতিতে সংগঠিত যে কোন অনিয়ম নিবন্ধক পরিদর্শন কিংবা তদমেত্মর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেন ।

⇒সমিতির মধ্যে সৃষ্ট যে কোন বিরোধ নিবন্ধককে জানানো হলে তিনি সালিশকারী নিয়োগ করবেন । সালিশকারী ন্যায় বিচার, সমতা ও সুবিবেচনা প্রসূতভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রায় প্রদান করেন। রায়ে কেউ সংক্ষুব্দ হলে আপীল করার সুযোগ থাকে ।

⇒সমিতি অকার্যকর হলে কিংবা সদস্যগন সমিতি পরিচালনায় অনাগ্রহী হলে নিবন্ধক সমিতিকে অবসায়ন করতে পারেন । আবার সদস্যদেব আগ্রহের কারনে অবসায়ন আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন ।

২। প্রশিক্ষণ সেবাঃ

(ক) প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ সেবাঃ

⇒প্রশিক্ষণ সেবা প্রদানের জন্য কুমিলস্না শহরের উপকন্ঠে কোটবাড়ীতে রয়েছে দেশের শীর্ষ সমবায় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সমবায় একাডেমী । এ ছাড়াও আঞ্চলিক পর্যায়ে মুক্তাগাছা, ফরিদপুর, ফেনী, মৌলভীবাজার, খুলনা, কুষ্টিয়া, বরিশাল, নওগাঁ এবং রংপুরে ৯টি আঞ্চলিক সমবায় ইনষ্টিটিউট রয়েছে। রাজস্ব ও উনড়বয়ন বাজেটের অধীনে এবং সমবায় উনড়বয়ন তহবিলের অর্থায়নে এ সকল প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে (১) পেশাগত দক্ষতা উনড়বয়ন (২) সচেতনতা সৃষ্টি (৩) সমবায় ব্যবস্থাপনা ও (৪) বিভিনড়ব আয়বর্ধনকারক কোর্সে প্রশিক্ষন দেয়া হয়ে থাকে ।

⇒সমবায় অধিদপ্তরের ঢাকাস্থ সদর কার্যালয়, বাংলাদেশ সমবায় একাডেমী, কুমিল্লা, রংপুর এবং খুলনা আঞ্চলিক সমবায় ইনষ্টিটিউটে অবস্থিত মোট ৪(চার)টি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব এর মাধ্যমে সদস্য ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষন দেয়া হয়ে থাকে ।

(খ) কোর্স সম্পর্কিত তথ্য :

⇒কোর্সগুলোর মেয়াদ ৩ দিন হতে ৬০ দিন পর্যমত্ম। এসব কোর্সে যে কোন উৎসাহী সমবায়ী মহিলা/পুরম্নষ অংশ নিতে পারেন।

⇒প্রশিক্ষণার্থীদের বিনা খরচে আহার ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। সমবায়ীদের প্রশিক্ষণে নির্ধারিত হারে যাতায়াত ভাতাও দেয়া হয়।

⇒কোর্সগুলো বছরব্যাপী পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়।

⇒কোর্স শুরম্নর পূর্বে জেলা সমবায় কার্যালয় সমূহে মনোনয়ন প্রেরণের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করা হয়। প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসমূহের নোটিশ বোর্ডেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

⇒প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য সংশিস্নষ্ট জেলা সমবায় কার্যালয়ে অথবা প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

(গ) এ ছাড়াও সমবায় অধিদপ্তর বিভিন্ন সমবায় প্রতিষ্ঠান, সরকারী-বেসরকারী সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের অনুরোধে ও অর্থায়নে যৌথ উদ্যোগে পেশাগত প্রশিক্ষণ, অবহিতকরন কোর্স, মাঠ সংযুক্তি, শিক্ষাসফর, কর্মশালা, সম্মেলন ইত্যাদি পরিচালনা করে থাকে ।

(ঘ) সমবায় অধিদপ্তরের ঢাকাস্থ আগারগাও এর সদর কার্যালয় ‘‘সমবায় ভবন’’ এ বিভিন্ন আয়তনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত সম্মেলন কক্ষ রয়েছে। নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ প্রদান করে বিভিন্ন সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদা অনুযায়ী এ সকল ভ্যানু ব্যবহার করতে পারে ।

অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ সেবাঃ

          দেশের প্রতিটি জেলা সমবায় কার্যালয়ে ১ জন প্রশিক্ষক ও ১ জন সহকারী প্রশিক্ষক সমন্বয়ে একটি ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ ইউনিট রয়েছে। এই ইউনিটগুলো সমবায় সমিতিতে গিয়ে সদস্যদের সমবায় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। উৎসাহী সমবায় সমিতি জেলা সমবায় কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিনা খরচে এই প্রশিক্ষণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। প্রশিক্ষণ সংক্রামত্ম সেবা গ্রহণের জন্য ঢাকাস্থ সদর কার্যালয়ের সমবায় ভবনের উপনিবন্ধক (সম্প্রসারন ও প্রমোশন), কক্ষ নং-৫৩১, বাংলাদেশ সমবায় একাডেমী, কোটবাড়ী, কুমিলস্নায় অধ্যাপক(প্রশিক্ষণ), আঞ্চলিক সমবায় ইনষ্টিটিউট সমূহের অধ্যক্ষ, সংশিষ্ট জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে তিনি সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রদান করবেন।

আমাদের অঙ্গীকার :

আমরা অঙ্গীকার করছি যে,

⇒সমবায় অধিদপ্তর এবং এর আওতাধীন সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্মদক্ষতা যাতে বৃদ্ধি পায় সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকব; এ ছাড়া সকল কর্মীর যাতে স্বচ্ছতা জবাবদিহীতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেবামূলক মনোভাব বৃদ্ধি পায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব ।

⇒সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (সংশোধিত ২০০২) এবং সমবায় সমিতি বিধিমালা, ২০০৪ মোতাবেক সেবাসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ন্যয়ানুগভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করব ।

⇒আগত উপকারভোগীদের আইনের কাঠামোর মধ্য থেকে সহযোগীতা করব ।

⇒সচিবালয় নির্দেশিকায় বর্ণিত সময়সীমার মধ্যে সকল বিষয় নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব ।

⇒ব্যক্তি/বেসরকারী পর্যায়ে প্রাপ্ত পত্রের প্রাপ্তী স্বীকার নিশ্চিত করে ১৫ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব । এ সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হলে সে ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে অগ্রগতির বিষয়টি অবহিত করে আশ্বসত্ম করব ।

⇒অফিসে সময়মত উপস্থিতি এবং অফিস চলাকালীন সময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করব । প্রয়োজনে সার্বক্ষনিক উপস্থিত থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালন করব ।

⇒অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দুর্ভোগ লাগবে ক্ষেত্র ভেদে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করবো এবং সমবায় বিভাগে অগ্রায়ণ করবো । এ সময়ে নিষ্পত্তি সম্ভব না হলে কারণ উলেস্নখপূর্বক আবেদনকারীকে জানিয়ে দিব ।

⇒অফিসে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করব ।

⇒নিয়মিত তদারকী/পরিদর্শনের মাধ্যমে সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলার কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করবো এবং কর্ম করার দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা করব।

⇒সাক্ষাৎ প্রার্থীদের বিষয়গুলো মনযোগ দিয়ে শুনে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করব ।

⇒সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে সরকারী বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব ।

অভিযোগ ও নিষ্পত্তি :

(ক) উপজেলা পর্যায়ের অভিযোগসমূহ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে দাখিল করতে হবে ।

(খ) জেলা পর্যায়ের অভিযোগসমূহ জেলা সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে দাখিল করতে হবে ।

(গ) বিভাগীয় পর্যায়ের অভিযোগসমূহ বিভাগীয় সমবায় কর্মকর্তা বরাবরে দাখিল করতে হবে ।

(ঘ) সমবায় অধিদপ্তরের কোন অভিযোগ থাকলে তা নিবন্ধক বরাবরে দাখিল করতে হবে ।